দীর্ঘদিন ধরে রমরমেই চলছিল বেআইনিভাবে বাজির ব্যাবসা গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বারাসাত এসডিপিও, দত্তপুকুর থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়। এরপরেই জানা যায় ইবাদত মন্ডল নামে ওই ব্যক্তির বাড়ীতে বাজির ব্যাবসা চলতো ঘটনাটি ঘটে নীলগঞ্জ ফাঁড়ির ইছাপুরা গ্রাম পাঞ্চায়েতে কাঠুরিয়ায় অঞ্চলে। এরপরই দত্তপুকুর থানার পুলিশ বাজী মজুদ করার ঘটনায় গ্রেফতার করে জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে। উদ্ধার হয় প্রায় ২০০ কুইন্টালের বেশি বেআইনি বাজি। অভিযোগ ইবাদাত মন্ডলের বাড়িতেই বেআইনিভাবে বাজী মজুদ ছিল। ঘটনাস্থলে দত্তপুকুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী তল্লাশি চালায়। অভিযুক্ত ইবাদত মন্ডল পলাতক স্থানীয় বাসিন্দারা এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ। রাজ্যে বাজি বিস্ফোরণের পর তৎপর পুলিশ প্রশাসন।বেআইনিভাবে এই ব্যবসা পিছনে কাদের হাত আছে তা তদন্ত করছে দত্তপুকুর থানার পুলিশ। বাজি ব্যবসার ঘটনায় পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে।
